নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে

`মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো,
নিজেরে করো জয়’

আমাদের যত প্রচেষ্টা

০১.

— নির্ভেজাল প্রাকৃতিক খাবার

ভালো থাকার পূর্বশর্ত নির্ভেজাল প্রাকৃতিক খাবার খাওয়া। ফার্স্টফুড কালে ভাদ্রে খেলেও প্রাকৃতিক ও বিজ্ঞানসম্মত খাদ্যাভাস দেয় দীর্ঘজীবন, কর্মপ্রেরণা। সুনাগরিকের জন্য সেই প্রাকৃতিক খাবারের দিকে মনযোগ ফেরাব আমরা।

০২.

— শহর হোক সুন্দর

সৌন্দর্য পিপাসা আমাদের টেনে নিয়ে যায় পৃথিবীর নান্দনিক সব শহরে। আমরাও কিন্তু পারি আমাদের শহরকে আরও সুন্দর ও নান্দনিক করে গড়ে তুলতে। বসার ঘরের মতো পরিপাটি, ধুলাহীন, নিয়মতান্ত্রিক, সবুজ করে তুলতে।

০৩.

— জাগুক বুদ্ধিবৃত্তি

শৃঙ্ক্ষলা, শুদ্ধাচার ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি এগোতে পারে না। বহু বছর প্রচেষ্টার পরও আমরা নানা কারণে সেসব চর্চা রাখতে পারিনি। সেগুলো চর্চার একটি যথাযথ দিকনির্দেশনা নিয়ে হাজির হচ্ছি আমরা।

0৪.

— দূষণমুক্ত নদী

নদীমাতৃক বাঙলার নদীগুলো দিকে দৃষ্টি ফেরানো দরকার। বুড়িগঙ্গাকে বাঁচাতে হলে হতে হবে কঠোর। নিতে হবে শক্ত পদক্ষেপ। নর্দমার পাড়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর জাতির রাজধানী হতে পারে? তাই বুড়িগঙ্গাকে দূরষণমুক্ত করতে হবে।

0৫.

— সাংস্কৃতিক শিক্ষা

সাংস্কৃতিক শিক্ষেই শিক্ষা সাংস্কৃতিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। দুর্নীতিমুক্ত দেশ ও যোগ্য জাতিকে দিতে হবে উদ্দেশ্যমুলক শিক্ষা। সেই শিক্ষা মানুষকে কলুষিত করবে না, দুর্নীতিবাজ করবে না। পড়া শেষে অন্য দেশে পালিয়ে না গিয়ে জাতিকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে। নাগরিকের জন্য

0৬.

— পরামর্শ সহায়তা

নাগরিক সব সময় জানে না তাঁকে কী করতে হবে। তাঁর কতটা অধিকার আর কতটা প্রাপ্তি। আমরা জানাব, দেব কিছু সুপরামর্শ। তথ্য তাঁদের করবে শক্তিশালী। নাগরিক শক্তিশালী হলে নগর হবে দুর্নীতিমুক্ত।

অবিনাশ বাংলা পরিবারে যুক্ত হোন

অবিনাশ বাঙলার সাম্প্রতিক কার্যক্রম

করোনায় দুস্থদের পাশে অবিনাশ বাঙলা

করোনার আঘাতে ভেঙে পড়ছে জীবন। খাবারের অভাবে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ। অবিনাশ বাঙলা ফাউন্ডেশন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে নিজের সাধ্য মতো। শ্রমজীবী ও স্বল্প আয়ের মানুষদের প্রতিদিন খাওয়াচ্ছে রান্না করা খাবার। এ কাজে যুক্ত হতে পারেন আপনিও।

নগরবাসীর জন্য নির্ভেজাল প্রাকৃতিক খাবার

নতুন প্রজন্মকে মেধা, প্রজ্ঞা ও সৃষ্টিশীলতায় বেড়ে উঠতে তাদের অভ্যাস গড়তে হবে ভালো খাবারে। তাদের দিতে হবে পুষ্টিকর, বিষমুক্ত খাবার। অবিনাশ বাঙলা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে তুলে আনবে বিষমুক্ত সবজি ও শস্য। জাতিকে প্রাচীন বাঙলার খাদ্য সংস্কৃতিকে ফিরতে আমাদের সঙ্গে একাত্ম হোন। 

বন্ধুরা যা বলছে

ঝড়ের বৃত্ত থেকে সবাই আমরা বেরিয়ে আসতে চাই। যে ঝড় দেখা যায়, সময়ে তা থেমে যায়, ক্ষয়-ক্ষতির ধ্বংসাবশেষ আগলে ধরে, আবার মানুষ বাঁচতে চায়, উজ্জীবিত করতে চায়, সৃষ্টি করতে চায় নতুন ইতিহাস, মানুষ তা পারেও’, অবিনাশ বাঙলাও পারবে। তাদের জন্য শুভ কামনা।
কাজী রোজী
কবি
করোনাভাইরাস উপদ্রুত সময়ে যাত্রা করল অবিনাশ বাঙলা ফাউন্ডেশন। আনুষ্ঠানিক যাত্রার আগেই কাজ শুরু করে দেওয়ার এমন সুযোগ সবার আসে না। এই সংগঠনের উদ্যোগের কথা জেনে খুবই আনন্দিত হয়েছি। সংগঠনটির জন্য শুভ কামনা।
শাকিল আহমেদ
অধ্যাপক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
I am very pleased to know that, Abinash Bangla is going to start its journey, with a fantastic opportunity to serve the human being on its journey. Not too many can have this scope to do that. I really do hope and pray that you people will just continue… just remember, you can only start and someone will finished.
S Murshed Imam Mony
Philanthropist
অবিনাশ বাঙলার উদ্যোগটি খুবই ভালো। ঝুঁকিপূর্ণ একটি সময়ে মানবতার সেবায় কাজ শুরু করার জন্য সংগঠনটির কর্মী ও উদ্যোক্তাদের স্বাগত জানাই। আশা করি এই দুর্বিপাক থেকে বেরিয়া আসার পর দেশকে নতুন করে সাজাতে সংগঠনটি আরও উদ্যোগী হবে।
জাহীদ রেজা নূর
লেখক ও সাংবাদিক

আমাদের অংশীজন